how to develop free website

মারকাযুল উলুম আশ-শারইয়্যাহ ওয়া তারবিয়াতিল মুসলিমীন। ইলমে দ্বীন চর্চা, প্রসার ও সালাফুস সালেহীন এর মীরাস হেফাজত করার সংকল্প নিয়ে নির্মিত একটি প্রতিষ্ঠান। সালাফের মেজাজ ও মানহাজ আমাদের পথ ও পাথেয়।
আমাদের এদেশের ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থার ফলে শিক্ষিত শ্রেণির মধ্যে দুটা স্পষ্ট বিভাজন লক্ষ্য করা যায়। ধর্মীয় শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষা। ধর্মীয় শিক্ষায় পারদর্শী যারা, তারা সাধারণ শিক্ষায় যেমন অনগ্রসর, তেমনি সাধারণ শিক্ষায় বিদ্বান যারা তারা ধর্মীয় শিক্ষায় প্রায় অজ্ঞ। শিক্ষার এই বিভাজনের কারণেই কিনা, সাধারণ শিক্ষিতদের সাথে আলেমসমাজের দূরত্ব বিদ্যমান। কাছে থেকেও যেন স্বদেশী মুসলিমরা বহুদূরে বাস করেন। সমন্বয় অথবা নৈকট্য লাভ করা, দুটোতেই অদৃশ্য বাধা কাজ করে। যে সমাজ হতে পারত, উভয় শিক্ষায় শিক্ষিতদের সমন্বয়ে সভ্যতা ও আধুনিকতা এবং নৈতিকতা ও ধার্মিকতায় অনন্য, সে সমাজ দুই মেরুকরণের ফলে আদর্শ সুশৃঙ্খল সমাজ হিসেবে নির্মিত হতে পারছে না। এই ঘাটতি ও সংকট, এই দূরত্ব ও 'আজনবিয়ত' দূর করা মারকাযের অন্যতম লক্ষ্য। সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত ভাইরা যেন আলেমদের কাছে আসতে সহজ বোধ করেন, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে।
**
মাদ্রাসার বিভাগীয় কার্যক্রম
#ইফতা বিভাগ- আত তাখাসসুস ফিল ফিকহি ওয়াল ইফতা এখানে দাওরা ফারেগ আলেমদেরকে ফিকহ ফতোয়া, অর্থাৎ মাসয়ালার সমাধান প্রদানে পারদর্শী করে তোলা হয়। ইফতা বিভাগ থেকে আপনাদের যে কোন দ্বীনি জিজ্ঞাসা, যে কোন বিষয়ে আপনাদের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে ফতোয়া ও দ্বীনী সমাধান দেয়া হয়।
#ফরজে আইন শিক্ষাকোর্স- জেনারেল শিক্ষিতদের জন্যে একটি বিশেষ উদ্যোগ। যেখানে তারা ইসলামী স্টাডিজ অর্থাৎ দ্বীনী ইলমের বিভিন্ন বিষয়ে একাডেমিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।
#মকতব ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ। এই বিভাগটি এবছর থেকেই চালু হতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ। ছোটদের জন্যে মকতব খোলা হয়েছে।
****
মারকাযে চলমান অন্যান্য কার্যক্রম-
১- অনলাইন কার্যক্রম। পাবলিক প্রশ্নের জন্যে সহজ মাধ্যম হিসেবে অনলাইনে প্রশ্নোত্তর অপশন রয়েছে। ওয়েবসাইট ও সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রশ্ন গ্রহণ করে উত্তর প্রদান করা হয়ে থাকে।
২- মাসিক তারবিয়াতি মজলিস। অর্থাৎ প্রতি মাসে আখলাক, ইসলাহ, আমল, ইবাদাত বা কোন ইলমী বিষয়ে দেশের শীর্ষ আলেমগণ আলোচনা/বয়ান করেন। কারণ অনলাইনের মাধ্যমে যে দ্বীন হাসিল হয়, তা যথাযথ নয়। অফলাইনেও আলেমদের মজলিশে অংশগ্রহণ করে দ্বীন গ্রহণ করা জরুরি। এদুটোর সমন্বয় না হলে, অনেককিছুর ঘাটতি থেকে যায়। তাছাড়া দ্বীনী মজলিশে যাওয়ার আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রতি মাসে ঘরোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
৩- বয়স্কশিক্ষা কার্যক্রম। মারকাযের রমজান মাসে বয়স্ক, চাকুরীজীবি ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কুরআন ও প্রয়োজনীয় মাসায়েল শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
৪- সালাতুত তারাবীহ। মাহে রমজানে মারকাযের উদ্যোগে প্রতি বছর তারাবীহ এর ব্যবস্থা করা হয়। বিনা পারিশ্রমিকে ও ধীরেসুস্থে হাফেজগণ তেলাওয়াত করে থাকেন। একইসাথে মারকাযের পক্ষ থেকে ইফতার এর আয়োজন করা হয়ে থাকে।
*******
মারকাযের যে সমস্ত খাতে অর্থ সহায়তা প্রয়োজন..
১- কিতাব ফান্ড। একটা ইফতা বিভাগ শুরু করতে গেলে ১৫ লাখ টাকার কিতাবের প্রয়োজন হয়। যদিও এই অর্থ যথেষ্ট না, আমাদের প্রয়োজনীয় কিতাবের খুব সামান্যই বলা যায়। তবুও সামর্থ্যের বিচারে আপাতত কিতাব বাবদ ১৫ লাখ টাকার বাজেট ধরা হয়েছে।
২- সাধারণ ফান্ড, সাধারণ ফান্ড হলো, বাসা ভাড়া, বিদ্যুৎ গ্যাস ইত্যাদির বিল। উস্তায ও স্টাফদের বেতন। কম্পিউটার, ফ্রিজ, আলমারি, টেবিল ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ের খরচ। বাৎসরিক হিসেবে এই ফান্ডে প্রয়োজন ১০ লাখ টাকা।
বি. দ্র. গত বৎসর উস্তাদদের বেতন ফান্ডে ঘাটতি ছিল ২,৮৯,৫০০/-
৩- যাকাত, মানত, কাফফারা ইত্যাদির ফান্ড। যেটাকে লিল্লাহ খাত বলা হয়। এই ফান্ড সম্পূর্ণ পৃথক একটি ফান্ড। এখান থেকে ছাত্রদের খাওয়া দাওয়া ইত্যাদির খরচ দেয়া হবে। অথবা কেও চাইলে নির্দিষ্ট একজন ছাত্রের পুরো বৎসরের খরচ সরাসরি বহন করতে পারেন।
.
দান সদকার গুরুত্ব--
এমনিতেই দান সদকার গুরুত্ব অপরিসীম। সদকা বিপদাপদ দূর করে। গোণাহ মাফ করে। দান সদকা যদি এমন খাতে হয় যেখানে দ্বীনের কাজ হয়, ইলমের চর্চা হয়। তবে সে সদকা কেবলই সদকা থাকে না, সেটা দ্বীন কায়েমের অংশ হয়। সদকায়ে জারিয়াহ হয়ে যায়। সদকায়ে জারিয়াহ মানে, যে সদকার সওয়াব মৃত্যুর পরেও মানুষ পেতে থাকে। কেয়ামত পর্যন্ত তার আমলনামায় সওয়াব বৃদ্ধি পেতে থাকে। সময়টা যখন মাহে রামাদান, তখন দানের গুরুত্ব ও বিনিময় বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। রাসূল সা. ও সাহাবীগণের দান এই মাসে অনেক বেড়ে যেত।
১- রাছূলূল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম ইরশাদ করেন--
“দান-ছাদকা গুনাহ মিটিয়ে ফেলে যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে ফেলে।” (জামেউস সাগীর:৫১৩৬- হাদিসটির সনদ সহীহ)
২- দানকারীর সম্পদ বৃদ্ধির জন্য ফেরেশতা দু’আ করে: রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“প্রতিদিন সকালে দু’জন ফেরেশতা অবতরণ করেন। তাদের একজন দানকারীর জন্য দু’আ করে বল,
اللَّهُمَّ أَعْطِ مُنْفِقًا خَلَفًا
“হে আল্লাহ দানকারীর মালে বিনিময় দান কর। (বিনিময় সম্পদ বৃদ্ধি কর)” আর দ্বিতীয়জন কৃপণের জন্য বদ দু’আ করে বলেন, اللَّهُمَّ أَعْطِ مُمْسِكًا تَلَفًا “হে আল্লাহ কৃপণের মালে ধ্বংস দাও।”
(বুখারী ও মুসলিম)
*****
সদকায়ে জারিয়াহ করতে চাইলে --
বিকাশ-
01965159658 (পারসোনাল)
01747031015 (পারসোনাল)
Bank account :
Markazul Ulum Ash-Sharyiah Wa Tarbiyatil Muslimin
current account (AC No: 0371020019904)
Al-Arafah Islami Bank Ltd
Mohammadpur, krishi market branch.

Address

House #531, Road #12
Baitul Aman Housing, Adabor,
Mohammadpur, Dhaka

Contacts

Email: musharyiah@gmail.com          
Phone: 01742638815
            01965159658

Links

www.markazweb.org
www.islamask.org